≅
প্রশ্ন ১: আমার সন্তান যদি আপাতদৃষ্টিতে পূর্বজন্মের কোনো কথা বলতে শুরু করে, তবে কী করণীয়?
উত্তর: শুরুতে তাকে কোনো প্রশ্ন করবেন না। শুধু পর্যবেক্ষণ করুন।
প্রশ্ন ২: সে যদি এভাবে বলতেই থাকে, তবে কী করবেন?
উত্তর: বিশেষ করে নিজের বাড়ির একান্ত পরিবেশে তাকে থামানোর চেষ্টা করবেন না। কেবল কোনো সম্ভাব্য অনিরাপদ স্থানে থাকলে তবেই তাকে থামান। আর তখনও যতটা সম্ভব নম্রভাবে থামানোর চেষ্টা করুন।
প্রশ্ন ৩: কোনো নিরাপদ জায়গায় তাকে কি এই বিষয়ে আরও কথা বলতে বলা উচিত?
উত্তর: সাধারণভাবে একেবারেই না। যদি না এমন কোনো চাঞ্চল্যকর তথ্য থাকে যা খতিয়ে না দেখে আপনার উপায় নেই। সাধারণত, আরও তথ্যের জন্য শিশুকে (টিউবওয়েলের মতো) চাপ না দেওয়াই ভালো।
প্রশ্ন ৪: আপাতদৃষ্টিতে স্মৃতিবাহী এই সন্তানকে কি আরও বলতে উৎসাহিত করা উচিত নয়?
উত্তর: হ্যাঁ, আপনি অবশ্যই উৎসাহিত করবেন। তবে স্মৃতির ওপর জোর প্রয়োগ করতে যাবেন না। অন্য কথায়, তাকে বলতে দিন, কিন্তু বাধ্য করবেন না।
প্রশ্ন ৫: আমার কি কোনো মনোবিজ্ঞানী/কাউন্সেলর/মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
উত্তর: ঈশ্বরের দোহাই, একদমই না। যদি না সেই মনোবিজ্ঞানী/কাউন্সেলর/মনোরোগ বিশেষজ্ঞ আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়ার ডপস (DOPS – Division of Perceptual Studies)-এর সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকেন।
প্রশ্ন ৬: তাহলে সন্তানের এই বিবরণ জানানোর জন্য কার সাথে যোগাযোগ করব? আর যদি এটি সত্যিই কোনো অস্বাভাবিকতার ঘটনা হয়?
উত্তর: প্রথমত, আপাত পূর্বজন্ম সম্পর্কিত আপনার সন্তানের বক্তব্যগুলো লিখে রাখুন—এমনকি যদি আপনি ফোনে অডিও বা ভিডিও রেকর্ডও করে থাকেন, তবুও লিখুন। তারপর সেগুলো (টেক্সট, অডিও, ভিডিও) কোনো নিরাপদ স্থানে গোপনীয়তার সাথে সংরক্ষণ করুন। এরপর বক্তব্যের লিখিত রূপটি ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়ার ডপস (DOPS)-এ ইমেইল করুন। অথবা আপনি যদি পশ্চিমবঙ্গে থাকেন, তবে আমাকে (লিখিত বক্তব্য সহ) ইমেইল করতে পারেন।
আমার ই-মেল:nirupam@memocariate.org.in
অতিরিক্ত পরামর্শ: সম্ভব হলে, আপনার সন্তান তার আপাত পূর্বজন্মের পরিবারের সাথে দেখা করার আগেই, আপনার লিখে রাখা বক্তব্যগুলো তারিখের সিলমোহর সহ একজন স্থানীয় ফার্স্ট ক্লাস ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে “সত্যায়িত” (attest) করিয়ে নিন।
◊